BeatEndometriosis

এন্ডোমেট্রিওসিস কি?

এন্ডোমেট্রিওসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং যন্ত্রণাদায়ক রোগ

সাধারণত জরায়ুর ভিতরের অংশে থাকা টিস্যু (এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু) যখন জরায়ুর বাইরে বাড়তে শুরু করে তখন তাকে এন্ডোমেট্রিওসিস বলা হয়।

এই ক্ষেত্রে এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যুতে প্রায়ই ক্ষত বা ইমপ্লান্ট তৈরী হয়, এই এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু সারা মাস জুড়ে তীব্র ব্যথা এবং প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।

এন্ডোমেট্রিওসিস কিভাবে হয়?

এন্ডোমেট্রিওসিসে আক্রান্ত মেয়েদের দেহে আসলে কী ঘটে? এবং কেন ব্যথা হয় জানতে এই ভিডিও দেখুন।

এন্ডোমেট্রিওসিসের লক্ষণ প্রতিটি মেয়েদের জন্য আলাদা

এন্ডোমেট্রিওসিস রোগীদের ক্ষেত্রে ৩ টি লক্ষণ সবচেয়ে বেশী পরিলক্ষিত হয়ঃ 

  • মাসিকের সময় ব্যথা
  • দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে ব্যথা
  • সহবাসের সময় ব্যথা

কিন্তু এন্ডোমেট্রিওসিসে আক্রান্ত মহিলারা এছাড়াও বিভিন্ন উপসর্গ অনুভব করতে পারেন।

এন্ডোমেট্রিওসিসের সঠিক কারণ অজানা

এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণ সম্পর্কে একটি জনপ্রিয় তত্ত্ব হল রেট্রোগ্রেড (বিপরীত মুখী) মাসিক, সেটি হচ্ছে, মাসিকের সময়, জরায়ুর আস্তরণটি যেভাবে প্রবাহিত হয়, এন্ডোমেট্রিওসিস রোগীর ক্ষেত্রে তার বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়। কিন্তু এটা নিশ্চিত নয় যে এটিই এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণ । 

এন্ডোমেট্রিওসিসের ঝুঁকিতে আছে কারা

  • এন্ডোমেট্রিওসিসের পারিবারিক ইতিহাস (মা বা খালার এন্ডোমেট্রিওসিস থাকলে)
  • অল্প বয়সে মাসিক শুরু হওয়া 
  • দীর্ঘ সময় ধরে মাসিক এবং অতিরিক্ত সময় ধরে মাসিক

এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যুর কোথায় অবস্থিত তার উপর এন্ডোমেট্রিওসিসের উপসর্গ নির্ভর করতে পারে

এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু বা ইমপ্ল্যান্টের অবস্থানের উপর নির্ভর করবে একজন মহিলা কী ধরনের উপসর্গ অনুভব করব। উদাহরণস্বরূপ, যদি তার মূত্রাশয়ে ক্ষত বা ইমপ্ল্যান্ট থাকে তবে প্রস্রাব করার সময় তার ব্যথা হতে পারে।

এন্ডোমেট্রিওসিসের তীব্রতা এবং বিভিন্ন পর্যায়

চিকিৎসকদের মতে এন্ডো মেট্রিওসিসের চারটি পর্যায় আছেঃ

  • পর্যায় ১ – সর্বনিম্ন বা মিনিমাল
  • পর্যায় ২ – হালকা বা মাইল্ড
  • পর্যায় ৩ – মাঝারি বা মডারেট এবং  
  • পর্যায় ৪ – গুরুতর বা সিভিয়ার
  •  

কিন্তু এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ যে রোগটি কতটা বেদনাদায়ক তার সাথে এই ধাপ গুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। উদাহরণস্বরূপ, স্টেজ ১ এর একজন রোগী তীব্র ব্যথা অনুভব করতে পারেন অপর দিকে এমনও হতে পারে যে স্টেজ ৪ এর রোগী কোন ব্যথা অনুভব করছেন না।

এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যুর আকার, দেহে তাদের অবস্থান, সংখ্যা এবং গভীরতা (সেগুলি অঙ্গের পৃষ্ঠে বা গভীরে পৃষ্ঠে অবস্থিত) এসবের উপর এন্ডোমেট্রিয়সিসের স্টেজ নির্ভর করে।

রেফারেন্সসমূহ: 1. American College of Obstetricians and Gynecologists. Practice bulletin no. 114: management of endometriosis. Obstet Gynecol. 2010;116(1):223-236. 2. American College of Obstetricians and Gynecologists. Frequently asked questions. FAQ013. Gynecologic problems. https://www.acog.org/~/media/For%20Patients/faq013.pdf?dmc=1. Updated October 2012. Accessed January 8, 2020. 3. Fischer JR. APGO Educational Series on Women’s Health Issues. Diagnosis & management of endometriosis: pathophysiology to practice. Association of Professors of Gynecology and Obstetrics; 2012. 4. Liu JH. Merck Manuals. Consumer Version. Women’s Health Issues. Endometriosis. https://www.merckmanuals.com/home/women-s-health-issues/endometriosis/endometriosis. Updated February 2019. Accessed January 8, 2020. 5. American Society for Reproductive Medicine. ASRM Patient Information Series. Endometriosis—a guide for patients; revised 2012. 6. Giudice LC. Clinical practice: endometriosis. N Engl J Med. 2010;362(25):2389-2398.

এর পরের পেজে আছেঃ

এন্ডোমেট্রিওসিসের সাধারণ লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি কী কী?